বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
spot_img
Homeরাজনীতিজামায়াতকর্মজীবী নারীদের জন্য ইভনিং বাস চালুর প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

কর্মজীবী নারীদের জন্য ইভনিং বাস চালুর প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

কর্মজীবী নারীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, সেজন্য সরকার গঠন করতে পারলে সান্ধ্য বাস চালুর আশ্বাস দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন। বর্তমানে নারীদের জন্য দুটি জিনিস নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, একটি হচ্ছে তাদের নিরাপত্তা, আরেকটি হচ্ছে তাদের সম্মান বা মর্যাদা। আমরা কথা দিচ্ছি ঘরে, চলাচলে এবং কর্মস্থলে—তিনটা জায়গায় আপনাদের জন্য ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব এবং মর্যাদা আপনাদের হাতে তুলে দেব। তিনি বলেন, কোনো জালিম আপনাদেরকে আর ইভটিজিং করার দুঃসাহস দেখাবে না। কর্মক্ষেত্রে কোনোভাবেই আপনাদেরকে আর হেনস্তার শিকার হতে হবে না। মর্যাদা এবং নিরাপত্তার সাথে আপনারা কাজ করবেন। চলাচলের সময় বিশেষ করে পিক আওয়ারে বড় শহরগুলোতে রাজধানীসহ আমরা শুধু মহিলাদের জন্য ইভনিং বাস সার্ভিস চালু করব ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন, পুরুষরা হাঁটতে পারবে, সাইকেল চালাতে পারবে, বাইক চালাতে পারবে, তারা পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ঠেলাঠেলি করে উঠতে পারবে; কিন্তু আমাদের মায়ের মর্যাদা আমাদের জীবনের চেয়েও বেশি। আমরা চাই না আমাদের মায়েরা ওইরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ুক। শফিকুর রহমান বলেন, তাদের জন্য মর্যাদার সাথে চলাচলের ব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ করে দেওয়া হবে। সরকারি যে সমস্ত ডাবল ডেকার বাস আছে, একটি তলা অর্থাৎ নিচ তলা, মায়েরা উপরে উঠতে গিয়ে কষ্ট পেতে পারেন, বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে—তাই নিচ তলাটা তাদের জন্য সংরক্ষণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, পুরুষরা কষ্ট করে আমরা উপরের তলায় বসব—কোনো অসুবিধা নেই। জায়গা না পেলে হাঁটব, রিকশায় চড়ব, বাইক চালাব তাও মায়েদেরকে আমাদের মর্যাদা দেখাতে হবে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি—গভীরভাবে বিশ্বাস করি—আমাদের জীবনের চাইতে আমাদের মায়েদের ইজ্জতের মর্যাদা বেশি। তিনি আরও বলেন, একটা পরিবার যেমন নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে, একটা দেশ ও সমাজও নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এই এক অংশকে উপেক্ষা করে আরেক অংশকে নিয়ে দেশকে সমৃদ্ধশালী করা সম্ভব নয়। এখন কেউ বলবেন, আমাদের মায়েরা কি ঘরের বাইরে কাজ করবেন? হ্যাঁ, অবশ্যই করবেন। বলা তো হয়েছে ঘর তাদের জন্য মূল জায়গা, তবে সমাজের খেদমত থেকেও তাদের বঞ্চিত করা যাবে না। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেকটি ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধে আমাদের মায়েদের শরিক করেছেন। যুদ্ধের চেয়ে কঠিন কাজ আসমানের নিচে ও জমিনের ওপরে নেই। আমি কে আমার মাকে সমাজের খেদমত থেকে বঞ্চিত রাখার?

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments