জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার অভিযোগে করা মামলায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ছরওয়ারে আলম। রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের এই সহকারী প্রোগ্রামারের ভাষ্য, অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করার মতো কাজ তিনি কখনও কল্পনাও করেন না। বৃহস্পতিবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে জামিন শুনানিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। হাতিরঝিল থানার সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় বুধবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর কথা জানিয়েছিল পুলিশ। পরদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই খন্দকার সালেহ আবু নাইম তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর জামিন চেয়ে শুনানি করেন এবং বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে ফাঁসানো হয়েছে, জামিন দিলে তিনি নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেবেন ও ট্রায়াল ফেস করবেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, এ আসামি স্বৈরাচারি সরকারের পেতাত্মা হিসেবে কাজ করেছে এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক করেছে। তিনি আরও বলেন, মহিলা ভোটারদের উত্তেজিত করার লক্ষ্যেই ইচ্ছাকৃতভাবে জামায়াত আমিরের নামে এই কাজ করা হয়েছে। আদালতে ছরওয়ারে আলম বলেন, আমি শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলছি, এ কাজ আমার দ্বারা হয়নি, এ ধরনের কাজ আমি কল্পনাও করি না, আমি বহু বছর ধরে চাকরি করছি, আমার মন-মানসিকতা এমন নয়। সাধারণ মানুষ মনে করছে আমি হ্যাক করেছি, কিন্তু আমি নিজ হাতে কিছু করিনি, তদন্তে সহযোগিতা করতে যা যা করার সব করব। বিচারক তার কাছে জানতে চান কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, উত্তরে তিনি বলেন বাসা থেকে। কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানতে চাইলে বলেন পরশু দিন। কখন গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিচারকের প্রশ্নে তিনি বলেন রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার দিকে। তিনি আরও বলেন, আমি স্বেচ্ছায় মোবাইল, ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ দিয়েছি, আইডি হ্যাকড করার কথা কল্পনাও করি না, আমি শতভাগ নিশ্চিত।



