সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, তিনি জেনে শুনে কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবেই অবৈধ বোলিং অ্যাকশনে বোলিং করেছেন। ২০২৪ সালে ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব সারের হয়ে খেলার সময় তিনি অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের কারণে নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় দুই দফায় ফেল হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও নিষিদ্ধ হন। রাজনৈতিক জটিলতার কারণে গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে বাংলাদেশ হয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নামতে পারেননি।
একটি পডকাস্টে সাকিব বলেন, সারে কাউন্টির হয়ে চারদিনের একটি ম্যাচে তিনি ৭০ ওভারের বেশি বোলিং করেছিলেন, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের জন্য এক ম্যাচে সর্বাধিক। পাকিস্তানে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলার পর এই ম্যাচে অংশ নেওয়ায় তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত ছিলেন। তিনি জানতেন, আম্পায়ার হয়তো অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সতর্ক করতে পারে, কিন্তু আম্পায়ার কিছু করেননি। পরে বোলিং অ্যাকশনের জন্য পরীক্ষা দিতে হয়, যেখানে প্রথমে তিনি ফেল করেন। কয়েক সপ্তাহ অনুশীলনের পর তিনি স্বাভাবিক বোলিং অ্যাকশনে ফিরে আসেন।
সারে ওই ম্যাচে সাকিব ৬৩.২ ওভার বোলিং করেন, প্রথম ইনিংসে ৩৩.৫ ওভার ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯.৩ ওভার। অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের কারণে তাকে দুই দফা শুদ্ধিকরণ পরীক্ষায় বসতে হয়। চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় ফেল করার পরও নির্বাচকরা তাকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে রাখেননি। বিসিবি জানিয়েছিল, সাকিব শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে পারবেন। চলতি আগস্টে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কারণে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বিসিবিকে জানিয়ে দেন, সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে না।



