সারা দেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতির ধ্রুবতারা তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।বুধবার বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মূল জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন তিনি। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গায়েবানা জানাজা ও মোনাজাতে অংশ নেন লাখ লাখ মানুষ।চাঁদপুরে বাদ জোহর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ও উপজেলার হাজারো মানুষ, শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, ইসলামপুর ও কানাইদাসী গ্রামে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।বাগেরহাট জেলা সদরে সব মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, মোরেলগঞ্জ জিউধরা ইউনিয়নেও দোয়া মাহফিল হয়। রাজশাহীর তানোর পৌর শহরের গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।সোনারগাঁয়ে কোরআনখানি ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী অঞ্চলে শোকের ছায়া বিরাজ করে। দৌলতখান শহরে সকাল থেকেই দোকানপাট বন্ধ ছিল, অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।ঈশ্বরদী, চট্টগ্রাম (সাতকানিয়া), বেড়া, সালথা, লালপুর, নরসিংদী, জামালপুর ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন মসজিদে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল এবং শোক কর্মসূচি পালন করা হয়। স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।জানাজাকে কেন্দ্র করে সর্বত্র জনস্রোত সৃষ্টি হয়। উভয়স্থানে মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন ট্রেন ও বাসযোগে ঢাকায় এসে জানাজায় অংশ নেন। শীতকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকায় পৌঁছান।খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশব্যাপী শোকের ছায়া বিরাজ করছে, শোকাহত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ শেষ বিদায়ে অংশ নিয়ে দেশনেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।



