শেরিফ হোসেন, জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী:
নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল বিদেশি কারেন্সি (মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, সৌদি রিয়াল ও থাইল্যান্ডের বাথ) এবং জাল পাসপোর্টসহ জাল টাকা কারবারি চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তারিখ: ১৩ মার্চ ২০২৬
১২ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মাননীয় পুলিশ সুপার, নীলফামারীর নির্দেশক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ মতলুবর রহমানের তত্ত্বাবধানে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানটি নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানাধীন নিতাই ইউনিয়নের বাড়ি মধুপুর ফুলবাড়ী (আবাসন) গুচ্ছগ্রামে মোঃ মমিজুল ইসলামের বসতবাড়িতে পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোঃ মমিজুল ইসলাম (৩০), পিতা— মোঃ নূর হোসেন, সাং— বাড়ি মধুপুর ফুলবাড়ী (আবাসন), স্থায়ী ঠিকানা— কুঠিয়ালপাড়া, ইউনিয়ন— নিতাই, থানা— কিশোরগঞ্জ, জেলা— নীলফামারীকে আটক করা হয়।
তল্লাশির সময় ধৃত আসামির শয়নকক্ষের খাটের তোষকের নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মুদ্রার মধ্যে রয়েছে—
মালয়েশিয়ান ১০০ রিঙ্গিত নোট – ৫৮০টি
সৌদি আরবের ১০০ রিয়াল নোট – ৯০টি
সৌদি আরবের ৫০০ রিয়াল নোট – ১৯০টি
থাইল্যান্ডের ১০০০ বাথ নোট – ১৯০টি
থাইল্যান্ডের ৫০০ বাথ নোট – ২৯০টি
এছাড়া তার কাছ থেকে ৬টি পাসপোর্ট এবং ১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জব্দ তালিকা অনুযায়ী জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ধৃত আসামি মোঃ মমিজুল ইসলাম তার পলাতক সহযোগীদের সঙ্গে মিলে প্রতারণার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের জাল মুদ্রা (মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, সৌদি রিয়াল ও থাইল্যান্ডের বাথ) তৈরি, সংরক্ষণ এবং আসল হিসেবে ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ছিল।
গৃহীত ব্যবস্থা:
ধৃত আসামির বিরুদ্ধে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা নং–১৮, জিআর নং–৭৩/২৬, তারিখ–১২/০৩/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ সালের ২৫-ক ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪৮৯-খ / ৪৮৯-গ ধারা অনুযায়ী রুজু করা হয়েছে।



