মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করার ৫ ঘন্টার মধ্যে বিধবা প্রতিবন্ধী নিলুফা আক্তারে পাশে ঈদ উপহার সামগ্রী নিযে সহযোগীতার হাত বারিয়ে দিয়েছেন আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মকসেদুল ইসলাম (সোহাগ)।
আজ ১৮ মার্চ দুপুর ১ঘটিকার সময় অসহায় নিলুফা আক্তারকে নিয়ে ফেসবুক একটি পোষ্ট করা হয় ফেসবুস পোষ্টটি চোখে পড়া মাত্রই বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে মকসেদুল ইসলাম সোহাগ বিধবা প্রতিবন্ধী নিলুফা আক্তারের বাসায় এসে খোজ খবর নেয় এবং হাতে তুলে দেয় ঈদের উপহার সামগ্রী ।
প্রতিবন্ধী নিলুফা আক্তার ২ পুত্র সন্তানের জননী। নিলুফার সাথে কথা বলে জানা যায় গত দুই বছর আগের তার স্বামী মারা যায়। দুই সন্তানকে নিয়ে চলছে নিলুফার অভাবের সংসার তার বড় ছেলের বয়স ১২ বছর ও ছোট ছেলের বয়স ২ বছর।
ছোট ছেলেটি গর্ভে থাকা অবস্থায় নিলুফা আক্তার স্বামীকে হারায়। স্বামী মারা যাওয়ার পরে নিলুফা আক্তারে জীবনে নেমে আসে এক অন্ধকার দুর্ভিক্ষ। বড় ছেলেকে নিয়ে চলতে থাকে নিলুফার অভাবের সংসার তারিমধ্যে অভাবে ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় গর্ভে থাকা সেই ২য় ছোট পত্র সন্তার।
অভাবের তারনায় যখন নিলুফা আক্তারে চার পাশে নেমে আসে অন্ধকার। ঠিক তখনি নিলুফা আক্তারের অভাবের অন্ধকার কাটাতে সংসারে হাল ধরেন তার বড় সন্তান যার তখন লেখা পড়া খেলা ধুলা করার বয়স। বড় ছেলের উপার্জনের টাকায় চলতো তাদের সংসার।
খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের ঠিক তখনি নিলুফা আক্তারকে নিয়ে মোঃ আশরাফুল ইসলাম বাবু নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে সহায়তার আবেদন করেন সেই আবেদনটি কয়েক ঘন্টার মধ্যে চোখে পরে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক মোঃ মকসেদুল ইসলাম সোহগের।
এরি মধ্যে মোঃ মকসেদুল ইসলাম সোহাগ নতুন কাপড় সহ ঈদ উপহার নিয়ে হাজির হয় নিলুফার বাসায় এবং বিভিন্ন সহযোগীতা আশ্বাস দেন এই তরুণ সমাজসেবক।



