বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ অভিযানে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
তিনি জানান, শেষ যাত্রী হিসেবে জাহাজে ওঠায় নির্ধারিত জায়গা পাননি। ফলে খোলা ডেকের পরিবর্তে এক্সিট গেটের পাশে একটি ছোট খোপে রাত কাটাতে হয় তাঁকে। ঝড়-বৃষ্টি ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ সত্ত্বেও রিমান্ড ও কারাগারে কাটানো দিনের অভিজ্ঞতা তাঁকে এমন পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শহিদুল আলম বিশ্বজুড়ে পাওয়া শুভেচ্ছা ও দোয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বার্তার জবাব দিতে না পারলেও সবকিছু তিনি সহযাত্রীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এ ছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জানান, কনটেন্টের জন্য তাঁরা ড্রিক-এর সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
ফ্লোটিলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী নৌযানগুলো আটকানোর চেষ্টা করছে। তবুও তাঁদের যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি লিখেছেন, “আমরা অবরোধ ভাঙবো। ফিলিস্তিন মুক্ত হবেই।”



