জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা গণদাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলনরত ৮ দল নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
এই কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে ৮ দলের নেতৃবৃন্দ দেশে চলমান ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
📅 ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) — দেশব্যাপী রাজপথে অবস্থান
ফ্যাসিবাদী শক্তির নাশকতা ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে ৮ দলের নেতৃবৃন্দ এবং সকল স্তরের জনশক্তি দেশব্যাপী রাজপথে অবস্থান করবে।
একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী শক্তিকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “জনগণের ঐক্যই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মূল শক্তি। শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা গণআন্দোলনের নতুন ধাপ সূচনা করতে চাই।”
📅 ১৪ নভেম্বর (শুক্রবার) — জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
নেতারা জানান, জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এই বিক্ষোভ হবে শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় প্রতিবাদের প্রতীক।
📅 ১৬ নভেম্বর (রবিবার) — শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ও সংবাদ সম্মেলন
রবিবার সকাল ১১টায় আন্দোলনরত ৮ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন,
“জনগণের ন্যায্য দাবি যদি এর পূর্বে মেনে নেওয়া না হয়, তবে সংবাদ সম্মেলন থেকেই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় (যমুনার সামনে) অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
🤝 আন্দোলনরত ৮ দল হলো:
১️⃣ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
২️⃣ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
৩️⃣ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
৪️⃣ বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি
৫️⃣ বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন
৬️⃣ খেলাফত মজলিস
৭️⃣ জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)
৮️⃣ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)
৮ দলের নেতৃবৃন্দ বলেন,
“দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় ঐক্য ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।
জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে অন্যায় ও জুলুমের অবসান ঘটিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”



