কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের লাশ ৮ দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীন জামালপুর বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ১৫২/৭-এস-এর কাছে ভারতের ভূখণ্ডে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। পতাকা বৈঠকে প্রাগপুর বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার এবং ভারতের ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নিউউদয় বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অংশ নেন। পরে নিহত শান্তর লাশ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহত যুবক শান্ত (২৪) দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মোহাম্মদপুর ডাংয়েরপাড়া গ্রামের শিপন আলীর ছেলে। বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৫ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর আওতাধীন আশ্রায়ন বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ১৫৪/৩-এস-এর কাছে ভারতের অভ্যন্তরে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি মাদক চোরাকারবারি মাদক পাচারের উদ্দেশ্যে ভারত প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিএসএফ বাধা দিলে চোরাকারবারিরা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ পাল্টা গুলি চালালে শান্ত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ভারতের করিমপুর রুরাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শান্তর লাশ ফেরত নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।



