দিল মোহাম্মদ চঞ্চল,ফুলপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল মাইলফলক। একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্নে সেদিন পথে নেমেছিল অগণিত মানুষ। সেই আত্মত্যাগ আমাদের শিখিয়েছে—জাতীয় স্বার্থে ব্যক্তি বা দলীয় মতের চেয়ে দেশের অবস্থান অনেক ঊর্ধ্বে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিভিন্ন বিতর্কিত আলোচনা আমাদের সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেছে—আমরা কি অতীতের গণ্ডিতেই আটকে থাকবো, নাকি নতুন ভবিষ্যতের দিকে মনোযোগ দিবো ? দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে কোনো প্রকার অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক বা পুরনো বিভাজনকে উসকে না দিয়ে, আমাদের উচিত জাতীয় ঐক্যের সুরক্ষাকে আরও শক্তিশালী এবং গতিশীল করা।
সংসদ হোক গঠনমূলক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যেখানে ব্যক্তিগত বা দলীয় দোষারোপের চেয়ে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাগুলো—যেমন ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং তারুণ্যের স্বপ্নের বাস্তবায়ন—নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। নতুন বাংলাদেশে আমরা এমন এক রাজনীতির প্রত্যাশা করি, যা আমাদের বিভক্ত করবে না, বরং সকল নাগরিকের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহমর্মিতা তৈরি করবে।
আসুন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা অপ্রাসঙ্গিক বিতর্ক পরিহার করি। জুলাইয়ের সেই রক্তঋণ শোধ করতে হলে আমাদের প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং একটি স্থিতিশীল পরিবেশ। দেশের সমৃদ্ধিই হোক আমাদের রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য।
আর এইচ রুমেল
সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী দল।



