রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪৪টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দেড় বছর আগে সিলগালা বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। রাজউকের প্রতিবেদন অনুযায়ী জারি করা নির্দেশনা আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে অবস্থান করছেন।
২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল মাউশি এসব ভবন সাত দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দেয়। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বিকল্প ভবন বা শ্রেণিকক্ষ না থাকায় নির্দেশনা পালন করা সম্ভব হয়নি। কেউ কেউ আবার দাবি করেছেন, তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননি।
এদিকে গত দুই দিনে দেশে চার দফা ভূমিকম্পের পর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভূতত্ত্ব অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, “বাংলাদেশ উচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকিতে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।”
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুন নাহার জানিয়েছেন, নির্দেশনা কেন বাস্তবায়ন হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



