বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
spot_img
Homeজাতীয়দুইবার জামিনে ছাড়া পান ফয়সাল, হাদিতে গুলির ঘটনায় নতুন করে আলোচনায়

দুইবার জামিনে ছাড়া পান ফয়সাল, হাদিতে গুলির ঘটনায় নতুন করে আলোচনায়

ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদীকে গুলি করা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ অস্ত্র মামলায় দুই দফায় জামিন পেয়েছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ডিজিটাল ইনভেস্টিগেটিভ মিডিয়া দ্য ডিসেন্ট। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর ডাকাতির সময় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয় এবং ওই মামলায় চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল ও অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমানের আবেদনের পর হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলী ছয় মাসের জামিন দেন। পরবর্তীতে জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদনে চলতি বছরের ১২ আগস্ট বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমনের বেঞ্চ নতুন করে এক বছরের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ১৬ ফেব্রুয়ারি জামিন আদেশের পর দ্রুততার সঙ্গে ১৯ ফেব্রুয়ারি তা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় এবং হাইকোর্টের দুটি আদেশের কপি সেখানে পাওয়া গেছে। দ্য ডিসেন্ট শনিবার তাদের ফেসবুক পেজে জামিনসংক্রান্ত দুটি ডকুমেন্ট যুক্ত করে এসব তথ্য প্রকাশ করে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজন ব্যক্তি গত ৯ ডিসেম্বর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনাও শুনেছিলেন। দ্য ডিসেন্টের অনুসন্ধানে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের ৯ ডিসেম্বরের সিসিটিভি ফুটেজ, পুলিশের সংগৃহীত ১২ ডিসেম্বরের হামলার সিসিটিভি ফুটেজ, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি এবং ফয়সাল করিম মাসুদ নামের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টসহ আওয়ামীপন্থি বিভিন্ন পেজ ও ব্যক্তির প্রোফাইলে থাকা ৫০টির বেশি ছবি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—তিন ঘটনায় সামনে আসা ব্যক্তির চেহারার সঙ্গে ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানের চেহারা মিলে যাচ্ছে। তিনি রাজধানীর আদাবর থানা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন বলে পুরোনো সংবাদে উল্লেখ রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, গুলি করা ব্যক্তির বাম হাতে থাকা বিশেষ ডিজাইনের ঘড়ির সঙ্গে একই ডিজাইনের ঘড়ি পরা একাধিক ছবি ফয়সাল করিম মাসুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইলে পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে একাধিক মূলধারার সংবাদমাধ্যমে ফয়সাল করিমের ছবিসহ খবর প্রকাশিত হয়, যেখানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর এলাকায় একটি অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে ১৭ লাখ টাকা লুটের ডাকাতির মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের তথ্য ছিল, যদিও পরে কীভাবে তিনি মুক্তি পান সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments