ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাসহ সব খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল, মিডিয়ালীগ ও সরকারি কর্মকর্তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি পালন করবে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা ঐক্যবদ্ধ মোর্চা জুলাই ঐক্য—এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে রামপুরা ব্রিজ থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। এতে অংশ নেবেন দেশপ্রেমিক বাংলাদেশপন্থি সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একটি অংশ, ডাকসু ও জাকসুর একাধিক নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা-স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের মানুষ; কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন জুলাই ঐক্যের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতের প্রক্সিরা নতুন করে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এবং চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশে গণহত্যা চালানো সব খুনিদের আশ্রয় দিয়েছে ভারত। সর্বশেষ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা জুলাইয়ের অস্তিত্ব শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার পর ভারতীয়দের আনন্দ-উল্লাসের অভিযোগও তুলে ধরা হয়। এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ২.০-তে কোনো আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না। কর্মসূচি থেকে ভারত সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দেওয়া হবে; নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুনিদের ফেরত না দিলে পরবর্তী পরিস্থিতির দায় দিল্লি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ভারত ও তার প্রক্সিরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচন চায় না; এ কারণেই একের পর এক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে। চব্বিশের ছাত্র-জনতাকে দেশ রক্ষার আন্দোলনে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে দলমত নির্বিশেষে সব পেশার ছাত্র-জনতাকে রাজপথে নেমে আসার ডাক দেওয়া হয়।



