সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বনেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিদেশি সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো গভীর শোক প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তারা তার রাজনৈতিক অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্বনেতারা পৃথক বার্তায় শোক প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আধুনিক ইতিহাস গঠনে খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শোক জানায়। বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, বেগম জিয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। রাশিয়ার দূতাবাস জানায়, তিনবার সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাশিয়ার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তাঁকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনের জনগণ তাঁকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদান এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ২০১৫ সালে ঢাকায় তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিও স্মরণ করেন এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বেগম খালেদা জিয়ার আজীবন সেবা স্থায়ী উত্তরাধিকার হয়ে থাকবে এবং পাকিস্তান এই শোকের সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেন, তার নেতৃত্ব ও সেবা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও গভীর শোক প্রকাশ করে তার পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। জাতিসংঘ এক শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেকও শোক প্রকাশ করে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছে।



