হাদি হত্যায় এক অভিযুক্তের ১৭টি সক্রিয় সিম উদ্ধার করা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার এক অভিযুক্তের ১৭টি সক্রিয় সিম পাওয়া গেছে, তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় মোবাইল সিমের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে বিটিআরসিকে তাগিদ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে ১৭টি সক্রিয় সিম উদ্ধার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এনইআইআর বাস্তবায়ন ও জনপ্রতি সিমসংখ্যা কমানোর তাগিদ দিয়েছে। ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে রাজধানীর বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় হাদিকে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। হাদির হত্যার ঘটনায় ফয়সালকে আসামি করে ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। হাদির মৃত্যুর পর ১৯ ডিসেম্বর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি পিস্তল এবং মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়, যাদের মধ্যে প্রধান আসামির সহযোগী সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ (দাউদ) বর্তমানে পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি ভারতে পালিয়েছেন, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এক যুবক নিজেকে ফয়সাল দাবি করে বলেছেন, তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে আছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন। সরকার মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ৭ জানুয়ারি নাগাদ চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।



