বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যেই ভোক্তারা এলপি গ্যাস কিনতে পারবে—এ নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। রোববার এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, এলপিজি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আজ সচিবালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত আছেন। ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার যে অভিযোগ আসছে, তা ওই বৈঠকে আলোচনা করা হবে এবং কমিশনও এ বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে কথা বলবে। তিনি বলেন, কমিশন যে দাম নির্ধারণ করে দেয়, ভোক্তা সেই নির্ধারিত দামেই পণ্য কিনতে পারবে—এ নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। যেসব কোম্পানি এলপিজি আমদানি করে, তাদের সব ধরনের ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। অ্যাসোসিয়েশন দাবি করছে, তারা নির্ধারিত দামেই পণ্য সরবরাহ করছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে, যাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে উচ্চমূল্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। জালাল আহমেদ আরও বলেন, পণ্যবাহী জাহাজ সংকট মূলত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দেখা দিচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এলসি ইস্যু নিয়েও কিছু সমস্যা রয়েছে—কিছু কোম্পানি এলসি খুলতে পারলেও পণ্য আনতে পারছে না। এরপরও যদি এলসি খোলা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়, তাহলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



