ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন উত্তর পাশে অবস্থিত ‘এমইএস বিল্ডিং নং-৫৪’-কে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করেছে সরকার।
রোববার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪১(১) এবং দ্য প্রিজনস অ্যাক্ট, ১৮৯৪ (IX of 1894)-এর ধারা ৩(বি) অনুসারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, “ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোড সংলগ্ন উত্তর দিকে অবস্থিত এমইএস বিল্ডিং নং-৫৪-কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হলো। এই ঘোষণা অবিলম্বে কার্যকর হবে।”
তবে কোন উদ্দেশ্যে এই ভবনটি কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হবে— সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক
সূত্রমতে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘোষণার আওতায় সেই মামলার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরই রাখার জন্য ভবনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানা জারির পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বর্তমানে ১৫ জন কর্মকর্তা হেফাজতে রয়েছেন। তবে পরোয়ানাভুক্তদের মোট সংখ্যা ২৫ জন। তাদের মধ্যে কিছু কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাৎক্ষণিক কার্যকর ঘোষণা
সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ ঘোষণা অবিলম্বে কার্যকর হবে। নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক দিক বিবেচনায় ভবনটি সেনানিবাসের অভ্যন্তরে থাকায়, এটি একটি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন অস্থায়ী কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গণমাধ্যমে বা সরকারের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।



