বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহিমূলক একটি সরকার প্রতিষ্ঠাই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন করা এই সরকারের কাজ নয়।”
শনিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোট আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য এখন একটি বড় সুযোগ এসেছে। তবে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে পলাতক ফ্যাসিবাদী অপশক্তির পুনর্বাসনের পথ সুগম হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনামলে যারা গুপ্ত কৌশল অবলম্বন করেছিল, সেই পরাজিত শক্তি এখনো একইভাবে দেশকে গণতন্ত্রের উত্তরণ থেকে বিরত রাখতে চায়। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে সজাগ থাকতে হবে।”
বিএনপির এই নেতা বলেন, “৫ আগস্টের পরাজিত পলাতক শক্তি কোনো দলের আড়ালে গুপ্ত কৌশলে যেন দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, সে বিষয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি জানান, বিএনপি সব ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি ও অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমঝোতা ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখবে।
সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।”
তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া পূরণে তারেক রহমানকেই ক্ষমতায় আনতে হবে। আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ দেখতে চাই, সেই নিশ্চয়তাই দেবেন তারেক রহমান।”



