বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
spot_img
Homeশিক্ষাজুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু আয়োজনে কেন্দ্রসচিবদের জন্য নতুন নির্দেশনা

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু আয়োজনে কেন্দ্রসচিবদের জন্য নতুন নির্দেশনা

চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে কেন্দ্রসচিবদের প্রতি একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। রোববার দুপুরে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়, যা জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সব কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কেন্দ্রে আসন অনুপাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে কেন্দ্রের পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাব-সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করে পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে। প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ পরিদর্শক নিয়োগ দিতে হবে এবং প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে দুইজন দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষার্থীদের আসন ব্যবস্থা কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে করতে হবে। প্রশ্নপত্র দুই সেট আলাদাভাবে সিকিউরিটি খামে প্যাকেট করতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক বা অন্য কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার এবং সম্ভব হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করবেন এবং ২১ ডিসেম্বরের আগেই তা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ নিশ্চিত করবেন। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫–এ সব পরীক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণির পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে এবং বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০+৫০ নম্বরে পরীক্ষা দেবেন। প্রতিটি পরীক্ষার সময় নির্ধারিত থাকবে তিন ঘণ্টা এবং পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হবে। পরীক্ষা শুরুর সাত দিন আগে ট্রেজারিতে বা থানা লকারে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের বিবরণী তালিকা যাচাই করতে হবে এবং এ সময় সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেন্দ্রসচিব ও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। একই দিনে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট ভিত্তিকভাবে সাজিয়ে সিকিউরিটি খামের গাম লাগিয়ে কার্টন টেপে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং খামের ওপর পরীক্ষার তারিখ, বিষয় কোড ও সেট কোড স্পষ্টভাবে লিখতে হবে। এতে কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে তা কেন্দ্রসচিবের দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ট্রেজারি থেকে সংশ্লিষ্ট দিনের প্রশ্নপত্রের সিকিউরিটি খাম দুই সেট গ্রহণ করতে হবে এবং পুলিশ প্রহরায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে আনতে হবে। প্রশ্নপত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে এসএমএসে নির্দেশিত সেট ব্যবহার করতে হবে এবং এসএমএস পাওয়ার পরই খাম খুলতে হবে। অব্যবহৃত সেটের প্রশ্নপত্রের খাম অক্ষত অবস্থায় উপজেলা কমিটির কাছে জমা দিতে হবে, যা পরে জেলা কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছবি তোলা যায় না—এমন মোবাইল ফোন কেন্দ্রসচিব ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থী এলে কেন্দ্রসচিব বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রার খাতায় রোল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করে তাকে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারবেন। পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে রেজিস্ট্রার খাতা জমা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। উল্লেখ্য, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments